Home > featured > 'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি' এবং স্বপ্নের সাতকাহন
2.Statue of Liberty Small - 'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি' এবং স্বপ্নের সাতকাহন

'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি' এবং স্বপ্নের সাতকাহন

রাখী নাথ কর্মকার

বেনসালেম, পেনসলভ্যানিয়া,  ইউ এস এ


Nblive ওয়েব ডেস্কঃ আপার নিউ ইয়র্ক উপসাগরের উদ্দাম, প্রাণচঞ্চলতা জুড়ে জেগে থাকা এক টুকরো প্রস্তরাকীর্ণ দ্বীপে তখন সদ্য ভূমিষ্ঠ সকালের শিশু রোদ্দুর নরম সুখে লুকোচুরি খেলে চলেছে আলসে আহ্লাদে। চনমনে হাডসন রিভার অকাতরে নিজেকে উন্মুক্ত করে দিয়েছে মহাসাগরের শিহরিত আলিঙ্গনে। আর আমাদের চোখের উজ্জ্বল তারায় তখন হাডসনের শীতল আলিঙ্গনে সমাহিত লিবার্টি আইল্যান্ডের বুকে- সুউচ্চ প্রস্তর বেদীর ওপর এক ঋজু ,দীর্ঘদেহী দেবীমূর্তির উন্নত উপস্থিতি। তাঁর হাতের আকাশ ছোঁয়া জ্বলন্ত মশালে তখন সকালের সোনালি আলোর ঠিকরে পড়ছে। স্বামীর কর্মসূত্রে আপাতত পেনসিলভ্যানিয়ার সাময়িক বাসিন্দা আমরা তিনটি মানুষ তখন প্রবাদপ্রতিম 'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি'র দর্শনাকাংক্ষায় শান্ত ছুটির একান্ত আলাপচারিতায় এসে প্রবেশ করেছি 'লিবার্টি এনলাইটেনিং দ্য ওয়ার্ল্ডে'র অনন্য স্থাপত্যের সর্বজনীন মোহমুগ্ধতায়!

IMG 20160916 WA0036 300x225 - 'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি' এবং স্বপ্নের সাতকাহন

নিভু নিভু জুলাইএর রোদ ঝলমলে সকালে,নীলাকাশের চালচিত্রে তখন শুধুই সেই প্রবাদপ্রতিম 'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি'র সম্মোহন,'মাদার অফ এগজাইলস' -সম্ভবত ধাতুনির্মিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রতিমূর্তি যার নির্দেশেই বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বন্দরটি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে ।একশো বছরেরও বেশী প্রাচীন সেই মহিমান্বিত মূর্তির পাদদেশে থেমে যাওয়া অগুনতি পর্যটকের রোমাঞ্চিত ইচ্ছে-খুশীর পূর্ণতা ।প্রাচীন রোমান দেবীদের মত ভারি পরিচ্ছদে আবৃ্‌ত, পেডিস্ট্যল থেকে ১৫১ফুট উঁচু স্ট্যাচুর পায়ের তলায় পড়ে থাকা ভাঙ্গা শিকলের খাঁজে খাঁজে মুক্তির আবাহনী সুর। লোহার কাঠামোর ওপর তামার পাতে মোড়া মূর্তির বাম হাতে আইনের পুস্তিকা যাতে রোমান হরফে খোদাই করা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতাদিবসের স্মরণীয় তারিখটি- ৪ জুলাই,১৭৭৬। আর ডান হাতে স্বাধীনতার সোনালি জ্বলন্ত মশাল। দেবীমূর্তির মাথার মুকুটের সাতটি ছটায় সাতটি মহাসাগর ও মহাদেশের ব্যাঞ্জনা।দেবীর দুটি চোখে অনমনীয় দৃঢ়তা; কাঠিন্য সেই সঙ্গে উদ্বেগের পেলব প্রলেপ । ১৮৭৬ সালে আমেরিকার স্বাধীনতার শতবর্ষ উপলক্ষ্যে ১৮৮৬ সালে বন্ধুরাষ্ট্র ফ্রান্স বন্ধুত্বের প্রতীকস্বরূপ স্টাচুটি তুলে দিয়েছিল আমেরিকার হাতে যা পরে ১৯২৪ সালে আমেরিকার জাতীয় সৌধ হিসেবে স্বীকৃতি পায় ।১৯৮৪ সালে ইউনাইটেড নেশান 'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি'কে 'ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট' হিসেবে ঘোষণা করে।ফরাসী ভাস্কর ফ্রেডেরিক অগস্ত বারথোল্ডির তত্ত্বাবধানে বাছা বাছা,সুদক্ষ ফরাসী শিল্পী ও ক্র্যাফটসম্যানদের প্রায় আট বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে তৈরী মুক্তি,স্বাধীনতার প্রতীক 'লিবার্টি এনলাইটেনিং দ্য ওয়ার্ল্ড’ সাদরে গ্রহণ করে নিয়েছিল ১কোটি ২০লক্ষেরও বেশী সেইসব বহিরাগতদের যারা ১৮৯২থেকে ১৯৫৪ সালের মধ্যে উন্নত ভবিষ্যৎ ও পূর্ণতর জীবনের লক্ষ্যে আমেরিকায় প্রবেশ করেছিল। 'ইউনিভার্সাল সিম্বল অফ ফ্রিডম এন্ড ডিমক্র্যসি' এই স্ট্যাচু অফ লিবার্টি-নিউ ইয়র্ক শহরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ।

IMG 20160916 WA0038 300x225 - 'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি' এবং স্বপ্নের সাতকাহন

গনগনে দুপুরে, রাগান্বিত সূর্যদেবের চোখরাঙ্গানিতে ঘামতে ঘামতে পেডিস্ট্যল থেকে ১৫৪টি পাকদন্ডী সিঁড়ি বেয়ে আমরা এসে প্রবেশ করলাম লিবার্টি ক্রাউনে,এখানে ২৫টি ক্রাউন উইন্ডো দিয়ে নিউ ইয়র্ক শহরের চমকপ্রদ দৃশ্য ভাববিহ্বলতার আরেক আবিষ্ট পর্যায় সৃষ্টি করে।ক্রাউন দর্শনের পরেই পৌঁছে যাই ফোর্টউড লেভেলে-সেখানে লিবার্টি মিউজিয়ামের বিস্ময়কর দুনিয়ার টুকরো টুকরো জানা তথ্য ঝুলিতে পুরে 'স্ট্যাচু ক্রুজে'র ফিরতি ফেরি করে পৌঁছে গেলাম ঐতিহাসিক ব্যাটারি পার্কে যেখান থেকে লিবার্টি আইল্যান্ডে যাওয়ার ছাড়পত্র মেলে।

ব্যাটারি পার্কের কাছেই নিউ ইয়র্কের বিখ্যাত 'ফিনান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্ট'- ওয়াল স্ট্রিট, এই ওয়াল স্ট্রিটেই রয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম 'নিউ ইয়র্ক স্টকএক্সচেঞ্জ' যার কল্যাণে নিউ ইয়র্ক 'ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ক্যাপিটাল' হিসেবে বিশ্বের দরবারে সমীহ কুড়িয়ে চলেছে।কাছেই লোয়ার ম্যানহাটানে অবস্থিত 'ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার'-- সমস্ত মন,চেতনা,ভাবনা জুড়ে তখনো সবুজশ্যামল দেবীমূর্তির উজ্জ্বল প্রতিচ্ছায়া,তার মাঝেই উঁকি মেরে যাওয়া-২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর 'ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে' সন্ত্রাসবাদী আক্রমণে নিহত ব্যাক্তিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত ৯/১১ মেমোরিয়াল। একটু দূরেই ১৮৮৩ সালে 'ইস্ট রিভারে'র ওপর ১.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ,স্টীল ও লোহার তার দিয়ে তৈরী,'আমেরিকান ন্যাশনাল হিস্টোরিক ল্যান্ডমার্ক',আমেরিকার সবচেয়ে পুরোন ঝুলন্ত সেতুগুলির মধ্যে অন্যতম- 'ব্রুকলিন ব্রীজ' ।
উত্তপ্ত আকাশে তখন মধ্যাহ্নভোজনের ইশারা -নগরীর শিরাউপশিরাজুড়ে ইতিউতি ছড়িয়ে থাকা এশিয়ান ফুড স্টলে 'চিকেন ওভার রাইস' বা 'ল্যাম্ব ওভার রাইসে'র গন্ধে ও স্বাদে আপাতত উন্মন ভাবুকতায় এক আঁজলা সন্তুষ্টি। মেট্রো করে এবার আমাদের গন্তব্য মিডটাউন ম্যানহ্যাটনের গর্ব ১০৩ তলা উঁচু পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত স্কাইস্ক্র্যাপার 'এম্প্যায়ার স্টেট বিল্ডিং'। বিল্ডিং এর ৮৬ তলার 'অব্জার্ভেশান ডেক'টি থেকে আমাদের পাখীর চোখের তারায় ভেসে উঠল 'বাস্টলিং' নগরীর এক অসাধারণ দৃশ্য ।১৯৩১ সালে তৈরী হবার পর থেকে প্রায় ৪০ বছর এটিই ছিল বিশ্বের সর্বোচ্চ ইমারত, ১৯৭০ সালে একে ছাপিয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল 'ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার'-- কিন্তু এম্প্যায়ার স্টেট বিল্ডিং'এর গর্ব কি এতটুকু খর্ব হয়েছিল? উঁহু, বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ উচ্চতম স্কাইস্ক্র্যাপার 'এম্প্যায়ার স্টেট বিল্ডিং' এখনো কিন্তু তার নিজের মহিমাতেই উজ্জ্বল!
ইতিমধ্যে পলাতকা বিকেল লাজুক চোখে উঁকিঝুঁকি মারতে শুরু করেছে সুভাষিত কোলাহলে । আমরা তখন নিউ ইয়র্কের 'অন্তরাত্মা' - টাইমস স্কোয়ারের জমজমাটি বাহুডোরে! এই টাইমস স্কোয়ারের বুকেই ঝলমলে আলোর শরীর নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে 'মাদাম তুসো'র মিউজিয়াম'।পৃথিবীর সুবিখ্যাত স্টার,নেতা, অভিনেতা,গায়ক, খেলোয়াড়দের উচ্ছল মূর্তির ভীড়ে অজান্তেই কখন যেন হারিয়ে গিয়েছিলাম কল্পনার রাজ্যে--- বিভিন্ন ফিল্ডের পাইয়োনিয়ারদের মোমের মূর্তিগুলি ভাবনায় ছড়িয়ে যায় মুগ্ধতা, চোখে জড়িয়ে রাখে অজানা নেশা।

IMG 20160916 WA0007 300x225 - 'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি' এবং স্বপ্নের সাতকাহন

রংবিসারী সন্ধ্যের ঝিমিয়ে আসা আকাশটাকে ম্লান করে দিয়ে হঠাৎই দেখি আমাদের ক্লান্ত চোখের তারায় ঝলসে উঠেছে হাজার ঝকমকি তারার আলো- টাইমস স্কোয়ারের কসমোপলিটান অ্যামবিয়েন্সে পা রেখে এবার যেন আমাদের চমকে ওঠার পালা, ব্যাক্তিগত সমস্ত দুঃখ -কষ্টের ভার কেমন নিমেষেই তুচ্ছ হয়ে গেল, ফুরফুরে মন কখন যেন অজান্তেই পৌঁছে গেছে সব পেয়েছির দেশে ...। মনে পড়ে গেল-টম ক্রুজের 'ভ্যানিলা স্কাই' মুভিটার কথা, কিংবা 'আই আম লেজান্ড' সিনেমার পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপ্টিক দুনিয়াটা-টাইমস স্কোয়ারের নেশায় ডুবে রয়েছে এমন কত শত মুভি-ম্যাজিক! টাইমস স্কোয়ারের 'ইক্সট্র্যাভাগান্ট,ল্যাভিশ' চরিত্র, গন্ধ,বর্ণ,মুড,--সব,সবকিছুই সমস্ত চেতনায় কী যেন এক অদ্ভুত মাদকতা ছড়ায় ! শুনেছি, প্রাথমিকভাবে 'লঙ্গ একর স্কোয়ার ' নামে পরিচিত হলেও ১৯০৪ সালে 'নিউ ইয়র্ক টাইমস' তার হেডকোয়ার্টার 'টাইমস বিল্ডিং'এ শিফট করার পর থেকেই 'টাইমস স্কোয়ার' পোশাকী নামে পৃথিবী চিনেছে তাকে ! ব্রডওয়ে আর সেভেন্থ অ্যাভিনউএর কানেকশনে 'দ্য ক্রশরোড অফ দ্য ওয়ার্ল্ড' টাইমস স্কোয়ার আসলে ব্রডওয়ে থিয়েটার ডিসট্রিক্টের প্রধান অ্যাট্রাকশন ।-সিনেমা,ব্রডওয়ে থিয়েটার,ইলেক্ট্রনিক বিলবোর্ডের জাঁকালো এক্সপজিশন টাইমস স্কোয়ারকে করে তুলেছে 'ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ভিসিটেড ট্যুরিস্ট অ্যাট্রাকশন'গুলির মধ্যে অন্যতম। রেকর্ড বলে, এখানে বছরে প্রায় তিনকোটিও বেশি পর্যটকের সমাবেশ ঘটে। জীবন এখানে প্রাণস্ফূর্তিতে পাগলপারা। ধীরে ধীরে ঘন হয়ে নেমে আসা সন্ধ্যের ঘন আকাশটার বুকে ফুটি ফুটি ফুটে ওঠা জোনাকির ভিড়ে কখন জানি অজান্তে যোগ দিয়েছে টাইমস স্কোয়ারের চোখ ধাঁধানো আলোর রূপকথারা ।জাদুর মাহেন্দ্রক্ষণে 'দ্য সেন্টার অফ দ্য ইউনিভার্স' টাইমস স্কোয়ারকে ঘিরে জীবন্ত হয়ে ওঠে বৈভব আর নাগরিক উন্মত্ততার এক আশ্চর্য সিম্ফনি। মেঘের মিনার ছুঁয়ে জেগে থাকা আত্মম্ভরী স্কাইস্ক্র্যাপারের ভিড়ে ছলকে ওঠে উত্তেজনাময় প্রাণোচ্ছলতা।আর ছন্দময়,বর্ণময় স্বপ্নসুখে ক্রমশই ডুবে যেতে থাকে পরিতৃপ্ত প্রাণ!টাইমস স্কোয়ারের আলোকোজ্জ্বল প্রাণচঞ্চলতাটুকুই কখন জানি সর্বময় হয়ে ছাপিয়ে উঠতে থাকে রাতআকাশের অন্তহীনতা!
প্রয়োজনীয় তথ্য ঃ-
চেক ইন - ফ্লাইটে করে জে এফ কে এয়ারপোর্ট ,এয়ারপোর্ট থেকেই ক্যাব নিয়ে ব্যাটারি পার্কের কাছাকাছি কোন হোটেল। একাধিক ট্রাভেল সাইট থেকে ফ্লাইট সম্বন্ধে বিশদে জেনে নেওয়া যায়। সববিষয়ে খুঁটিনাটি তথ্য পেয়ে যাবেন নিউ ইয়র্ক ট্যুরিজমের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট খুললেই - www.nycgo.com ।
ট্রিপ টিপস - নিউ ইয়র্কে সারাবছরই পর্যটকদের জন্য অবারিত দ্বার,তবে মার্চ থেকে নভেম্বর বেড়ানোর উপযুক্ত সময় । 'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি'র সঙ্গে সঙ্গেই ঘুরে নিতে পারেন কাছেই এলিস আইল্যান্ড, ৯/১১ মেমোরিয়াল ,ওয়াল স্ট্রিট 'বুল',এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিঙ, টাইমস স্কোয়ার,মাদাম তুসোর মিউজিয়াম। 'লিবার্টি'র ক্রাউনে উঠতে গেলে ৫/৬মাস আগে থেকে অনলাইন টিকিট কেটে রাখতে হয়,লগ ইন করতে পারেন www.statuecruises.com ।
স্বাদ আহ্লাদ - এশিয়ান , চাইনিজ, আমেরিকান থেকে শুরু করে সব ধরনের খাবারই এখানে পাওয়া যায়। রোডসাইড ফুডস্টলে ৫ ডলারে 'চিকেন ওভার রাইস' বা 'ল্যাম্ব ওভার রাইস' থেকে শুরু করে পিৎযা , বার্গার, ডোনাট ,প্রেটজেল ( নোনতা বিস্কুটজাতীয়), চিজকেক সবই রসনার তৃপ্তি যোগাবে ।
কেনাকাটা - 'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি'র মিউজিয়াম স্টোরেই লিবার্টির রেপ্লিকাসহ বহু শৌখিন জিনিস ন্যায্য মুল্যে পকেটস্থ করতে পারবেন , অন্যত্র দামের প্রচুর হেরফের হতে পারে ।
করনা মানা হ্যায় - যেখানে সেখানে প্লাস্টিক প্যাকেট , আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট 'ট্র্যাশে' ফেলুন, নচেৎ মোটা জরিমানার সাথে সাথে অন্য শাস্তির ব্যবস্থাও আছে !

Saha 300x200 - 'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি' এবং স্বপ্নের সাতকাহন

 

আরও দেখুন

IMG 20190215 WA0007 310x165 - জঙ্গী হামলার প্রতিবাদ, গর্জে উঠল রায়গঞ্জ, পুড়ল ইমরানের কুশপুতুলও

জঙ্গী হামলার প্রতিবাদ, গর্জে উঠল রায়গঞ্জ, পুড়ল ইমরানের কুশপুতুলও

    NBlive রায়গঞ্জঃ কাশ্মীরে পুলওয়ামার অবন্তীপুরাতে জঙ্গী হামলার প্রতিবাদে গর্জে উঠল উত্তর দিনাজপুর জেলার …