Thursday , April 26 2018
Breaking News
Home / featured / কোচবিহারের পর দক্ষিণ দিনাজপুর, আক্রান্ত আরও এক সাংবাদিক

কোচবিহারের পর দক্ষিণ দিনাজপুর, আক্রান্ত আরও এক সাংবাদিক

NBlive বালুরঘাটঃ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ছবি তুলতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন এক সাংবাদিক। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের ঘটনা। গঙ্গারামপুরের ব্লক অফিসে এদিন ছবি তুলতে গিয়ে দুষ্কৃতিদের হামলার শিকার হন চিত্র সাংবাদিক অমিত মোহান্ত। তাঁকে মারধর ও মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ক্যামেরা মোবাইল সব কিছুই কেড়ে নেওয়া নেওয়া হয়। আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি ও সিপিআইএম এর কর্মীরাও। হামলাকারীরা শাসক দলের মদতপুষ্ট বলে অভিযোগ।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বিরোধী দলের প্রার্থীরা গঙ্গারামপুর ব্লক অফিসে গেলে তাঁরা দুষ্কৃতীদের হামলার স্বীকার হন। ঘটনায় জখম হয়েছেন দশ জনেরও বেশি। তাদের মধ্যে ছয়জন সিপিআইএম ও বিজেপির দুইজন। ঘটনার ছবি তুলতে গেলে আক্রান্ত হন অমিত মোহান্ত নামের এক চিত্র সাংবাদিক। তাকে মারধোর করে ক্যামেরা ও মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। অভিযোগ হামলাকারীরা সকলেই শাসক দলের মদতপুষ্ট। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। গঙ্গারামপুর সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চিত্র সাংবাদিক অমিত মোহান্তর মাথায় সেলাই পড়েছে। সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনার খবর জানাজানি হতেই প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি সাংবাদিক অমিত মোহান্ত জানিয়েছেন যে বেলা দেড়টা নাগাগ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের খবর পেয়ে শংকর চৌহান নামের এক সহকর্মীকে নিয়ে তিনি ব্লক অফিসে যান। সেখানে ক্যামেরা বের করে ব্লক অফিসের ছবি তুলতে নিলে হঠাৎই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালিয়ে মারধোর করতে শুরু করে। শুধু মারধোর করাই নয় হাত থেকে ক্যামেরা ও মোবাইল সহ নগদ টাকাও কেড়ে নিয়েছে। দুষ্কৃতীরা সকলেই বহিরাগত।

সিপিআইএম এর জেলা সম্পাদক নারায়ন বিশ্বাস ঘটনার নিন্দা করে বলেন সব কিছু পুলিশের সামনে ঘটলেও আক্রান্তদের সাহায্যে কেউই এগিয়ে আসেন নাই। শাসক দলের পক্ষ নিতে গিয়ে পুলিশ মোটেও রক্ষকের দায়ীত্ব পালন করছে না। মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে দলীয় মোট ছয় জন জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্যতা না থাকার জন্যই শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বহিরাগতদের এনে এই ধরনের নোংরা খেলাগুলি খেলছে।

জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিপ্লব মিত্র ঘটনার নিন্দা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন এই ঘটনার সাথে তাঁদের দল কোন ভাবেই জড়িত নেই। ২০১৩র নির্বাচনে মানুষের স্বতস্ফুর্ত ভোটে জেলার সমস্ত পঞ্চায়েতে তৃনমূল কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল। বর্তমানে বিরোধীদের এমন অবস্থা যে প্রার্থী দেওয়ার লোক তারা পাচ্ছে না। লজ্জাজনক এই ঘটনা আড়াল করতে নিজেরাই বাইরে থেকে দুষ্কৃতী এনে এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বদনাম করার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে বলেও পাল্টা অভিযোগ তিনি করেছেন।

আরও দেখুন

পরিবার সমেত অপহৃত সিপিএমের জেলা পরিষদ প্রার্থী,ব্যাপক চাঞ্চল্য রায়গঞ্জে

NBlive রায়গঞ্জঃ সিপিএমের জেলা পরিষদ প্রার্থীকে অপহরণ করার অভিযোগ রায়গঞ্জে। অভিযোগ শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের …